শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৪:৪২ পিএম, ২০২৫-০৯-২০
নয়া দিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রথমবারের মতো জামদানি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। আজ শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিল্লির ন্যাশনাল ক্রাফটস মিউজিয়ামে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশের সবচেয়ে খ্যাতনামা এই বস্ত্রশিল্পের সূক্ষ্ম কারুকাজ সম্বলিত জামদানি আগত দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়। প্রদর্শনীটি আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর টানা চলবে। বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে।
ভারতের খ্যাতনামা কারুশিল্প ও বস্ত্রশিল্পের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে কাজ করা চন্দ্রশেখর ভেদা প্রদর্শনীর কিউরেট করছেন। প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কারিগরদের বোনা নির্বাচিত জামদানি শাড়ি স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে ১৫০ বছরের পুরোনো বিরল দু’টি জামদানিও রয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভেদা বলেন, ‘মেশিনের মাধ্যমে জামদানিকে নকল করা যায় না। এর স্বচ্ছতা ও সূক্ষ্মতা যেন বাতাসে ভেসে বেড়ানো জাদুর মতো।’
বাংলাদেশের কারুশিল্পের হারানো দিন ফিরিয়ে আনার নেতৃত্বস্থানীয় ও আড়ংয়ের সাবেক শীর্ষ নকশাকারক চন্দ্রশেখর সাহা জামদানির ঐতিহ্য তুলে ধরে বলেন, ‘এক সময় বাংলার মসলিন ছিল সর্বশ্রেষ্ঠ। আজ জামদানি সেই জায়গায় আছে—এ এমন এক শিল্প যা আপনার চোখে দেখার আর অনুভব করার বিষয়। আশা করি এর ঐতিহ্য দীর্ঘকাল টিকে থাকবে।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের নকশা ও সংস্কৃতি জগতের অনেকে বক্তব্য রাখেন। পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত ডিজাইনার সুনীতা কোহলি জামদানির অতীত গৌরব স্মরণ করে একে ‘বোনা বাতাস’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘সম্রাটরা একে লালন করতেন, বণিকরা সাগর পাড়ি দিয়ে নিয়ে যেতেন, কবিরা এর সূক্ষ্মতা ধরতে গিয়ে হিমশিম খেতেন। ইউনেসকো একে অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বলেছে—আমি বলি এটি অমূর্ত বিলাসিতা, যা মাপতে হয় ধৈর্য, সময় আর মানুষের হাত দিয়ে—মূল্য দিয়ে নয়।’
খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার ও ডিজাইনার মুজাফ্ফর আলি জামদানি নিয়ে ঠিক যেন সিনেমাটিক মন্তব্য করেছেন। তিনি জামদানিকে ‘আলো এবং বুননের এক প্রকৃত আনন্দ এবং এমন এক সৌন্দর্য বলে আখ্যায়িত করেছেন—যা শিল্পের প্রতি অভিন্ন উপলব্ধির মাধ্যমে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারে।’
এদিকে, ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম. রিয়াজ হামিদুল্লাহ এই প্রদর্শনী সম্পর্কে বলেন, চলতি বছর আমাদের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সময় আমরা কিছু জামদানি প্রদর্শন করি। সেই সময় যে অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া গিয়েছিল তা থেকেই আমরা এ প্রদর্শনী আয়োজনের উৎসাহ পাই। তার ভাষায়, ‘এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে আরও মানুষ জামদানির অনন্ত সৌন্দর্যকে আবিষ্কার করুক তা আমরা চাই।’
এ আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন দুই জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত জামদানি তাঁতী—মোহাম্মদ জামাল হোসেন ও মোহাম্মদ সাজিব। দুই দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই তাঁতীরা সরাসরি বুনন প্রদর্শনের মাধ্যমে দর্শকদের সামনে তুলে ধরবেন জামদানি তৈরির সূক্ষ্ম প্রক্রিয়া।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, শিল্পী, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও টেক্সটাইল অনুরাগীরা উপস্থিত ছিলেন।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে নতুন গাড়ি কেনা, সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ঋণ বিতরণ, থোক বরাদ্দ থেকে ব্যয় বন্ধসহ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার পরিবেশ ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ছয় বছরের মধ্যে আসল টাকা বা মুনাফা দাবি না করলে তা তামাদি (Time-barred) হিসেব...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে রাজউক ও রিহ্যাবের উচ্চ পর্যায়ের মতবিনিময়সভা হ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা-রুপার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে সোনা- রুপার দাম ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে পু্ঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভূক্ত করা হবে ব...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited